প্রধানমন্ত্রী ফিরছেন, গণঅভ্যর্থনার ব্যাপক প্রস্তুতি

আজ বিকেলে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে অর্ভর্থনা জানাতে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। গভীররাতেও সড়কের পাশে লাগানো হচ্ছে অভ্যর্থনার ব্যানার-ফেস্টুন-প্ল্যাকার্ড।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী যে পথে যাবেন; সেই ভিআইপি সড়কের পুরোটাই এখন রঙ-বেরঙের সাজে প্রস্তুত। সড়কের পাশে তো বটেই, বাদ যায়নি সড়ক বিভাজক, ল্যাম্পপোস্টও।

ভিআইপি টার্মিনালের সামনে এয়ারপোর্ট রোডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুরালের সামনে ভোর ৫টায় ফেস্টুন লাগাচ্ছিলেন এক যুবক। তিনদিন ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের হয়ে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাচ্ছেন তিনি।

একটু এগিয়ে খিলখেত বাস টার্মিনালের কাছে ফুটপাত ধরে ফেস্টুন হাতে হাঁটছিলেন আরও তিন কর্মী। খিলখেত থানা আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করছেন তারা। তাদের মধ্যে মিজানুর রহমান ও মৃণাল হক বলেন, এসবই আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার জন্য, প্রধানমন্ত্রীর গণঅভ্যর্থনার জন্য।

কয়েক দিন ধরে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাদের পক্ষ থেকে সড়কে টানানো হয়েছে পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন। বিজয় স্মরণি থেকে মহাখালী, বনানী-কাকলী, এমইএস, বিশ্বরোড এলাকার সড়কেও সাজ সাজ রব।

কানাডায় গ্লোবাল ফান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা ছেড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনা ও বহুমাত্রিক অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ পদক ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ ও ‘এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখায় ‘এজেন্ট অব চেস্ট অ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম ও ‘প্ল্যানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কারটি দিয়েছে জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা ইউএন উইম্যান।

প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় পৌঁছুলে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল, সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানাবেন বলে আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানিয়েছে।

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password