মশা থেকে এখনই সতকর্তা

অ্যানোফিলিস, এডিস ও কিউলেক্স—এ তিন ধরনের মশা আমাদের দেশে বেশি দেখা যায়। এদের দেখে চেনা সহজ। অ্যানোফিলিস মশা তার লেজের দিকটি উঁচু করে বসে। এডিস ও কিউলেক্স মশা লেজের দিকটি উঁচু না করে বসার স্থানের সঙ্গে তাদের শরীরকে মোটামুটি সমান্তরাল করে রাখে। এডিস মশার পায়ে বাঘের মতো ডোরাকাটা থাকে। এডিস মশা দিনের বেলাতেও কামড়ায়। প্রতিবছর অনেক মানুষ মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। আবার ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ার মৌসুমও এসে গেছে। তাই এখন থেকেই সাবধান হতে হবে।অ্যানোফিলিস মশা পুকুরের বা খেতখামারের পরিষ্কার বদ্ধ পানিতে ডিম পাড়ে। এডিস মশা ডিম পাড়ে গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ার, ছাদের ওপরে বা বারান্দায় থাকা ফুলের টব, পরিত্যক্ত নারকেলের মালা, ডাবের খোসা ইত্যাদিতে জমে থাকা অল্প পরিমাণ পরিষ্কার পানিতে। আর কিউলেক্স মশা ডিম পাড়ে বদ্ধ নোংরা পানিতে (যেমন, বদ্ধ ড্রেনের নোংরা পানি)। মশার ডিম থেকে পরিণত মশা হতে এক থেকে দুই সপ্তাহ লাগে। পরিণত মশা মোটামুটি এক সপ্তাহ থেকে এক মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

কীভাবে রোগ ছড়ায়
কামড় দিয়ে অসুস্থ মানুষের রক্ত চুষে নেওয়ার সময় রক্তে থাকা জীবাণুগুলোও মশার পেটে প্রবেশ করে। তারপর কয়েক দিনের মধ্যেই জীবাণুগুলো সংখ্যায় বেড়ে মশার লালাগ্রন্থিতে প্রবেশ করে। তখন এই মশা অন্য কোনো সুস্থ মানুষকে কামড় দিলে মশার লালায় থাকা জীবাণুগুলো সুস্থ মানুষের রক্তে প্রবেশ করে।

মশা নানান রোগের বাহক। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ‘ম্যালেরিয়া’ রোগ ছড়ায়। এডিস মশার কামড়ে ছড়ায় ‘ডেঙ্গুজ্বর’ ও ‘চিকুনগুনিয়া জ্বর’। আর কিউলেক্স মশা ছড়ায় ‘ফাইলেরিয়া’ বা ‘গোদরোগ’।

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password