খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগে এ মামালা দায়ের করা হয়। সোমবার (০৩ অক্টোবর) অতিরিক্ত মূখ্য বিচারিক হামিক আ স ম শহীদুল্লাহ কায়সারের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।

খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আব্দুল কাদের।

বাদির আইনজীবী সাবেক পিপি অ্যাড. আবুল হাসেম জানান, ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী ২৫ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে তার ব্যক্তিগত পেইজে ইংরেজিতে একটি পোস্ট দেন। এর বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায়, ‌‌‘শেখ হাসিনাকে হত্যা সম্ভব নয়, কারণ শেখ হাসিনার চারদিকে ভারতের বিশেষ নিরাপত্তার চাদর রয়েছে। ভারতীয়রা সরাসরি শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বিধান করেছে। কারণ শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভারতের স্বার্থরই প্রতিনিধিত্ব করছেন। শেখ হাসিনাকে হত্যা ছাড়া বাংলাদেশের ক্ষমতার ভারসাম্য ও গণতন্ত্র ফেরানো সম্ভব নয়।’ ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে পেইজে মন্তব্য লিখেন।

ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীর এ ফেসবুক পোস্টের সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান সম্পৃক্ততার বিষয়ে তিনি বলেন, ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। নিশ্চয়ই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অনুমতিক্রমে তিনি এ পোস্ট দিয়েছেন। তাই এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় তাদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের হয়েছে।

তিনি বলেন, আদালত মামলার নথি গ্রহণ করেছেন। পরে এ বিষয়ে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন। এর আগে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর কোতয়ালি থানায় ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় আরেকটি মামলা দায়ের হয়। মামলায় রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগও আনা হয়।

ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীর বাবা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য চৌধুরী তানভির আহমেদ সিদ্দিকী বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। তবে ২০০৯ সালে বিএনপি বিরোধী দলে যাওয়ার পর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে ছেলে ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকীর বিতর্কিত মন্তব্যের জের ধরে তানভির দল থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর রাজনীতিতে তানভির নিস্ক্রিয় থাকলেও ইরাদকে সম্প্রতি বিএনপির নির্বাহী কমিটিতে স্থান দেন বেগম জিয়া।

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password