স্বনামধন্য চিত্রনাট্যকার যোশেফ শতাব্দীর ইন্তেকাল

বাংলা চলচ্চিত্রের স্বনামধন্য চিত্রনাট্যকার যোশেফ শতাব্দী আর নেই। গতকাল রাত ৩ টা ২০ মিনিটে সিরাজগঞ্জে নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)। তার পারিবারিক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ন। যোশেফ শতাব্দী অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। প্রথমে সারা শরীরে টিউমারের পর ক্যনসার ধরা পড়ে তার।

এরপর মিরপুরে তার বড় ছেলের বাসায় থেকে অনেকদিন চিকিৎসা নিয়েছেন। গত ২৭শে আগস্ট তিনি সিরাজগঞ্জে ফিরে সেখানের এনায়েতপুরে খাজা ইউনুস হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কিন্তু গত রাতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ বাদ আসর সিরাগঞ্জের রহমতগঞ্জে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার পরিবার। এদিকে যোশেফ শতাব্দীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্রাঙ্গনে।

পরিচালক দেওয়ান নজরুল বলেন, আমার হাত ধরেই চলচ্চিত্রে আসেন যোশেফ। আমার পরিচালনায় ‘আসামী হাজির’ ছবি দিয়ে চলচ্চিত্রে চিত্রনাট্যকার হিসেবে অভিষেক হয় তার। এরপর ‘ধর্ম আমার মা’, ‘আসমান জমিন’, ‘কুরবানি’, ‘মাটির দুর্গ’, ‘সুজন বন্ধু’সহ আমার পরিচালনায় বেশকিছু ছবিতে চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন। অনেক গুণী একজন মানুষ ছিলেন যোশেফ।

অন্যদিকে অভিনেতা ও প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজলের প্রায় সব ছবিতেই চিত্রনাট্যকার হিসেবে কাজ করেছেন যোশেফ শতাব্দী। তিনি তার মৃত্যুর সংবাদে শোক প্রকাশ করে বলেন, যোশেফ আমার বন্ধু ছিল। আমার মনে হয় সে ভুল চিকিৎসার কারণে মারা গেল। আমি অনেক বলেছি ভারতে গিয়ে চিকিৎসা করতে। শুনত না আমার কথা। খবরটা শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। আমার অনেক কাছের একজন মানুষ ছিল সে। আমি তার পরিবারের জন্য অবশ্যই কিছু করব। যোশেফ শতাব্দি ডিপজল অভিনীত ‘দাদি মা’, ‘চাচ্চু’, ‘মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি’, ‘পিতার আসন’সহ বেশ কয়েকটি ছবির কাহিনী লিখেছেন। আর এ ছবিগুলো পরিচালনা করেছেন এফ আই মানিক।

সবশেষ শাহ আলম মন্ডলের ‘সাদা কালো প্রেম’ ছবির চিত্রনাট্য লিখেন তিনি। মৃত্যুকালে যোশেফ শতাব্দী স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password