যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর

শনিবার দিবাগত রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতা একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। মীর কাসেম আলীরমৃত্যুদণ্ড গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক। সারাদেশের মানুষ আজ আর একটি কলঙ্কমুক্ত দিন ফিরে পেলো।

এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া একাত্তরের ভয়ংকর খুনে বাহিনী আলবদর নেতা মতিউর রহমান নিজামী, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আবদুল কাদের মোল্লা এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ফাঁসির রায় কার্যকর হয়েছে।

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর ৪০ নম্বর কনডেমড সেলে ছিলেন মীর কাসেম। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে কাশিমপুর কারাগারে এই প্রথম কোনো মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো।

স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর এটি হচ্ছে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার ষষ্ঠ ফাঁসির রায় কার্যকর, যার মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা হলো চট্টগ্রাম অঞ্চলের এই মানবতাবিরোধী অপরাধের হোতাকে। এর আগে ফাঁসি কার্যকর হওয়া অন্য পাঁচ শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর মধ্যে চারজনই জামায়াতের এবং অন্যজন ছিলেন বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতা।

শনিবার রাতের মধ্যেই মীর কাসেম আলীর মরদেহ মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার চালা ইউনিয়নের চালা গ্রামের বাড়িতে নিয়ে তার পরিবার-পরিজনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। রোববার (০৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে সেখানকার কবরস্থানে তার নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password