আজ ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’

নিউজ ডেস্ক :

আজ ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর। রক্তস্নাত অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানসহ নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এই দিনে তৎকালীন সেনা উপপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতা গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে ওই সময়ের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির আপাত অবসান ঘটে।

বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করলেও জাসদ ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে উদযাপন করে।

১৯৭৫ সালের এই দিনে জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে সিপাহি-জনতা আধিপত্যবাদী শক্তির নীলনকশা প্রতিহত করে দেয় বলে বিএনপির ভাষ্য।

বঙ্গবন্ধু হত্যার মধ্য দিয়ে নানা ঘটনার ধারাবাহিকতায় ৭ নভেম্বরের ওই অভ্যুত্থান ঘটে। গত ৩৯ বছরে অধিকাংশ সময় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সরকারিভাবে পালিত হয়েছে। ১৯৭৬ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দিবসটিতে সরকারি ছুটি ছিল। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এ ছুটি বাতিল করা হয়।

২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে ছুটি পুনর্বহাল করে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসে ছুটি আবার বাতিল করে। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সে সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছে।

দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এক বাণীতে ৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি ১০ দিনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আজ ভোরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে দলটি। সকাল ১০টায় বিএনপির নেতাকর্মীরা দলের প্রতিষ্ঠাতা, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালন করবে দলটি। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের কয়েকটি শরিক দলও দিনটি উপলক্ষে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কর্নেল তাহের মিলনায়তনে আজ বিকেলে আলোচনা সভা করবে জাসদ। অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আজ সকাল সাড়ে ১০টায় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনার আয়োজন করেছে।

বাংলাদেশ সময়: ১১১৪ ঘণ্টা, ০৭ নভেম্বর, ২০১৫

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password