আইএমএফের শেষ দুই কিস্তির ২৬ কোটি ডলার ছাড়

অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক :

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের আর্থিক হিসাব বিদেশি নিরীক্ষক দিয়ে করার শর্ত পূরণ হয়েছে।তাই বাংলাদেশের জন্য আইএমএফের বর্ধিত ঋণ সুবিধার (ইসিএফ) বাকি ২৫ কোটি ৪২ লাখ ডলার ছাড় হতে চলেছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার ওয়াশিংটনে সংস্থার নির্বাহী পর্ষদের সভায় তিন বছর মেয়াদী ইসিএফের আওতায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কর্মসূচি পঞ্চম ও ষষ্ঠ কিস্তির বিষয়টি পর্যালোচনা শেষে ২৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলার ছাড়ের সিদ্ধান্ত হয়।

এর মধ্য দিয়ে চুক্তি অনুযায়ী ইসিএফের মোট ৯০ কোটি ৪২ লাখ ডলার পাচ্ছে বাংলাদেশ।   বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা গণগ্রন্থাগারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত শর্ত পূরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ইসিএফের আওতায় বাংলাদেশকে তিনবছর মেয়াদী ৯০ কোটি ৪২ লাখ ডলারের ঋণ দিতে ২০১২ সালের ১১ এপ্রিল আইএমএফ চুক্তিবদ্ধ হয়, যার মেয়াদ ৩১ অক্টোবর শেষ হবে। তার আগে বুধবার ঋণের শেষ দুই কিস্তিসহ আটকে থাকা প্রায় ২৬ কোটি ডলার ছাড় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঋণদাতা সংস্থাটি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে আইএমএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও কিছু ক্ষেত্রে সংস্কার কর্মসূচি অব্যাহত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

আইএমএফের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিৎসুহিরো ফুরুসাওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘কার্যকর অর্থনৈতিক নীতিমালা এবং কাঠামোগত সংস্কারের ফলে বর্ধিত ঋণ সুবিধার সহায়তায় গত সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে গেছে।’

এই সাফল্য ধরে রাখতে কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি ২০১৬ সালে নতুন মূল্য সংযোজন কর আইন চালু করা, জ্বালানি খাতে ভর্তুকি আরও কমানো এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোয় সংস্কার কর্মসূচি অব্যাহত রাখার সুপারিশ করেন তিনি।

সেইসঙ্গে ২০১৬ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ব সব ব্যাংকের সব শাখায় অটোমেশন চালুর কাজ শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে আইএমএফের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password