হারের লজ্জা থেকে বেঁচে গেলো পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক :

ম্যাচটা তো হারারই কথা ছিল পাকিস্তানের। আবুধাবি টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং ব্যর্থতা হারের মুখে দাঁড় করিয়ে দিলেও পাকিস্তান বেঁচে গেছে প্রকৃতির বদান্যতায়।

আলোকস্বল্পতার কারণে আম্পায়াররা যখন খেলার সমাপ্তি টেনে দিলেন, কাগজে-কলমে বাকি ছিল দিনের ৮ ওভার। হাতে ৬ উইকেট রেখে জয়ের জন্য যখন মাত্র ২৫ রান দরকার। বিধাতা যেন নিজের হাতেই হারের লজ্জা থেকে বাঁচিয়ে দিলেন পাকিস্তানকে।

পাকিস্তানের সাবেক তারকাদের মুখেও একই কথা, ‘বড় বাঁচা বেঁচেছে পাকিস্তান।’ মোহাম্মদ ইউসুফ যেমন বলেছেন, ‘আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়েছেন। নয়তো এই ম্যাচে হারের লজ্জাই পেতে হতো।’

ব্যাটসম্যানদের দায়িত্বজ্ঞানের অভাব দেখছেন ইউসুফ, ‘এমন ব্যাটিং-বান্ধব পিচে দলের এমন ব্যাটিং বিপর্যয় মেনে নেওয়া যায় না। আরব আমিরাতের শুকনো উইকেটেই যদি দলের ব্যাটসম্যানদের এমন অবস্থা হয়, তাহলে আগামী বছর ইংল্যান্ডের উইকেটে গিয়ে দল কী খেলবে, সেটা ভাবাই কঠিন।’ দলের দুই অভিজ্ঞতম ব্যাটসম্যানের আউট হওয়ার ধরন নিয়ে প্রশ্ন আছে তাঁর, ‘মিসবাহ আর ইউনিস যে ধরনের শট খেলে আউট হয়েছে, সেটি কেবল অসতর্কই নয়, ভয়ংকরও বলা যায়।’

কিংবদন্তি লেগ স্পিনার আবদুল কাদির এর মতে, দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যর্থতার জন্য পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা কেবল নিজেদেরই দায়ী করতে পারে, ‘আমি বুঝতে পারছিলাম না, তাদের কীসের এত তাড়া! মিসবাহ আর ইউনিসের ওই বাজে শট দুটির নেপথ্যে কী ভাবনা কাজ করছিল আমি জানি না।

আমি মনে করি, এমন পিচে ইংলিশ লেগ স্পিনারের বলে যদি পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানরা খাবি খায়, তাহলে এই সিরিজে তাদের কপালে দুঃখই আছে।’

জাভেদ মিয়াঁদাদ তো দ্বিতীয় ইনিংসে দলের ব্যাটসম্যানদের এমন পারফরম্যান্সকে ‘অপরাধ’ হিসেবেই দেখছেন, ‘প্রথম ইনিংসে ৫০০ রান করার পরেও এই ম্যাচে হারের হুমকিতে পড়া এক ধরনের অপরাধই।’

সূত্র: পিটিআই।

বাংলাদেশ সময়: ১৭৫৬ ঘন্টা, ১৮ অক্টোবর,২০১৫

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password