অভ্যর্থনাটা লিওনেল মেসির জন্য বরাদ্দ রইল না

গত নভেম্বরে কলম্বিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় সব হারানো শাপেকোয়েনসের যে তিন ফুটবলার প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন, তিনি তাঁদের একজন। পরশু হুয়ান গ্যাম্পার ট্রফির ম্যাচটি দিয়েই আবার মাঠেও ফিরলেন ব্রাজিলিয়ান এই উইঙ্গার। সবচেয়ে বড় অভ্যর্থনা তো তাঁরই প্রাপ্য! পেলেনও। ৩৫ মিনিটে মাঠ ছেড়ে যাওয়ার সময় ন্যু ক্যাম্পের ৬৫ হাজার দর্শক উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন রুশেলকে। আরেকটা প্রাপ্তিও আছে তাঁর। এই ছবিই সেটির প্রমাণ—ম্যাচ শেষে জার্সিতে মেসির অটোগ্রাফ।

সম্ভবত এই প্রথম ন্যু ক্যাম্পে সবচেয়ে বড় অভ্যর্থনাটা লিওনেল মেসির জন্য বরাদ্দ রইল না। গোল করেছেন, করিয়েছেন দুটি। কিন্তু আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড নয়, পরশু ন্যু ক্যাম্পের দর্শকদের সবচেয়ে বড় করতালি পেলেন অন্য একজন—অ্যালান রুশেল।

ক্লাবের সুইস প্রতিষ্ঠাতা হানস ম্যাক্স গ্যাম্পারের (কাতালুনিয়ায় পরিচিত হুয়ান গ্যাম্পার নামে) নামে আয়োজিত এই ট্রফি দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় বার্সেলোনার মৌসুম। একেকবার একেক দল আমন্ত্রণ পায় এতে। এবার পেল শাপেকোয়েনস। গত নভেম্বরে কোপা সুদামেরিকানার ফাইনালে খেলতে কলম্বিয়ার মেদেলিনে যাওয়ার পথে বিমান দুর্ঘটনায় যে ৭১ যাত্রী প্রাণ হারিয়েছিলেন, তার মধ্যে ক্লাবটির খেলোয়াড়-কর্মকর্তা ও সাংবাদিক ছিলেন ১৯ জন। দুর্ঘটনার ১০ দিন পরই শাপেকোয়েনসকে আমন্ত্রণটা দিয়েছিল বার্সা।

ম্যাচটা উপলক্ষে ৭১টি তারাখচিত বিশেষ জার্সি বানিয়েছে শাপেকোয়েনস। আর রুশেলের পাশাপাশি এই ম্যাচে বিশেষ সম্মান পেয়েছেন দুর্ঘটনা থেকে প্রাণে বেঁচে ফেরা অন্য দুই ফুটবলার নেতো ও জ্যাকসন ফলম্যানও। রুশেল এখনই ফিরলেও নেতোর মাঠে ফিরতে ফিরতে আগামী বছর, আর এক পা কেটে ফেলতে হওয়া ফলম্যানের এখন প্যারালিম্পিক ফুটবলই ভরসা। তবে মাঠে নামলেন তাঁরা দুজনও, সম্মানসূচক কিক-অফও করলেন।

 

–ইএসপিএন

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password