কয়েন জমান তারা !

অর্থ ও বাণিজ্য নিউজ :

রাজশাহী জেলার পবা উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের পাইকারি মিষ্টি ব্যবসায়ী সুলতান ও মিঠুন। তারা বাড়িতে মিষ্টি তৈরি করে সারাদিন ঘুরে ঘুরে জেলার বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করেন। অনেক ব্যবসায়ী মিষ্টি কেনার বদলে দিয়ে থাকেন কয়েন (পয়সা)। দিন শেষে দেখা যায় তাদের কাছে জমা হয়েছে অনেক কয়েন। কিন্তু সেই কয়েন নিয়ে এখন বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, এ বিষয়ে একটি চক্র সুযোগ নিচ্ছে। চক্রটি তাদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা মূল্যের কয়েন নিয়ে ৮০০ টাকা ধরিয়ে দিচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে লোকশানের মুখে পড়েছে ব্যবসায়ীরা।

তাদের অভিযোগ ক্রেতাদের কাছ থেকে তাদের কয়েন ঠিকই নিতে হচ্ছে। কিন্তু তারা যখন ব্যাংক বা অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে কয়েনগুলো দেয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছেন তখন আর কেউই তা নিতে চাচ্ছেন না।

রাজশাহীর পবা উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের আরেক পাইকারি মিষ্টি ব্যবসায়ী আবুল হোসেন জানান, তার দোকানে প্রতিদিন খদ্দেররা এসে এক, দুই ও পাঁচ টাকা মূল্যের কয়েন দিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসার স্বার্থে তা ফিরিয়ে দিতে পারেন না। কিন্তু কয়েনগুলো নিয়ে পড়তে হয় বিপাকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গ্রাহকদের কাছ থেকে মূল্যমান নির্বিশেষে সব ধরনের নোট গ্রহণ, বিধি মোতাবেক ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোটের বিনিময়মূল্য প্রদান, ধাতব মুদ্রা গ্রহণ ও বিতরণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ বিষয়ে ৭ সেপ্টেম্বর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলো জনসাধারণের কাছ থেকে বিভিন্ন মূল্যমানের ধাতব মূদ্রা বা কয়েনসহ নোট গ্রহণ এবং ছেঁড়া-ফাটা ও ময়লাযুক্ত নোটের বিনিময়মূল্য দিচ্ছে না ।

বাংলাদেশ সময়: ২১৩৫ ঘণ্টা, অক্টোবর ১৩, ২০১৫

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password