মুঠোফোনের অবৈধ আমদানি বাড়ছে

দেশে কর ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মুঠোফোন আমদানি বাড়ছে। আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে এখন প্রতি ৪টি মুঠোফোনের ১টিই অবৈধভাবে আমদানি হয়।

আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মুঠোফোন আমদানিতে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে একটি সম্পূর্ণ মুঠোফোন আমদানিতে সব মিলিয়ে ২৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ কর দিতে হয়। এর মধ্যে ৫ শতাংশ শুল্ক, ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক), ১ শতাংশ সারচার্জ ও ২ শতাংশ অগ্রিম কর হিসেবে দিতে হয়। আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় মুঠোফোন আমদানিতে এখন সব মিলিয়ে ৩৪ দশমিক ৫ শতাংশ কর দিতে হবে। এতে করে ৫ হাজার টাকার ১টি মুঠোফোনের দাম বাড়বে কমপক্ষে ৬ হাজার টাকা।

মুঠোফোন আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) হিসাবে, ২০১৬ সালে বৈধ পথে ৩ কোটি ইউনিট মুঠোফোন আমদানি হয়। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। এর সঙ্গে অবৈধভাবে আমদানি হওয়া মুঠোফোনের বাজার ছিল আরও কমপক্ষে ৩ হাজার কোটি টাকার। এই ৩ হাজার কোটি টাকার অবৈধ বাজার থেকে সরকার কোনো রাজস্ব পায়নি।

মূলত দেশে মুঠোফোনের সংযোজন ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে আমদানিতে শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সে কারণে মুঠোফোন সংযোজন কারখানা করার জন্য বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আমদানিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা দেশে সংযোজন কারখানা করার সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হলেও বলছেন, এ ধরনের অবকাঠামো তৈরিতে কমপক্ষে এক বছর সময় দরকার।

Login

Welcome! Login in to your account

Remember me Lost your password?

Lost Password